Manpura Degree College

এক নজরে কলেজ বিবরণী

কলেজ এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য

কলেজটি অত্যান্ত সুন্দর ও মনোরম পরিবেেশে অবস্থিত।

কলেজটিতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা অত্যান্ত সুন্দর এবং দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা আধুনিক পাঠ পরিকল্পনা, নিয়মিত টিউটরিয়াল পরীক্ষা ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধাসহ শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে অভিভাবকদের নিয়ে সভা সেমিনার করা হয়।

বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন বৃহত্তর দ্বীপ জেলা ভোলা। আর এ ভোলা জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরা। যা এক সময় পর্তুগীজ জলদস্যুদের বিচরণ ভূমি ছিল। পর্তুগীজদের রেখে যাওয়া লোমশ কুকুর আজও তাদের নিদর্শন বহন করে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মনপুরা পদর্পন করেন। তিনি মনপুরার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দেখে অভিভূত হন এবংমনপুরা দ্বীপে একটি চিন্তানিবাস প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা করেন। এই সময় তাহার সফরসঙ্গী ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নাল আবদীন। ১৯৮৪ সালে মনপুরা উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এই ‍বিচ্ছিন্ন উপজেলাটিতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড হয়ে দাকলেও উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ পশ্চাৎপদ ছিল। মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও এখানে কোন উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান ছিল না। ০১/০৭/১৯৯৬ খ্রি.তারিখ জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম অধ্যক্ষ মহোদয় প্রথমে সাবেক সংসদ সদস্য জনাব জাফর উল্যাহ চৌধুরী সাহেবের সাথে তার চরফ্যাশনের বাসভবনে দেখা করে মনপুরায় একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা করেন। অতঃপর ২৬/০৮/১৯৯৬ খ্রি. তারিখে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম অধ্যক্ষ মনপুরা ডিগ্রি কলেজ, জনাব ওবায়েদুল হক, জনাব আঃ লতিফ ভূইয়া প্রাক্তন ইউ.পি চেয়ারম্যানদ্বয়কে সাথে নিয়ে জনাব জাফর উল্ল্যাহ চৌধুরী সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করে কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে পূনরায় আলাপ-আলোচনা করেন। ০১/০৯/১৯৯৬ খ্রি.তারিখ সম্মতিক্রমে কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বেলা ১০.০০ ঘটিকার সময় হাজিরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় জনাব মোঃ জাফর উল্ল্যাহ চৌধূরী সাহেবকে সভাপতি নির্বাচন করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত সভায় তৎকালীন মনপুরা থানা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব নাসিরুজ্জমান সাহেব উপস্থিত থেকে সবাইকে উদ্বদ্ধ করেন এবং তার সর্বাত্মক সহযোগিতায় মনপুরায় কলেজের যাত্রা শুরু হয়। উক্ত সাংগঠনিক কমিটি প্রসাসনিক কার্য পরিচালনার জন্য অধ্যক্ষ হিসেবে তরুন সৎ সাহসী সুশিক্ষিত এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে কলেজের সাংগঠনিক কমিটি অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দান করেন। সেই থেকে তিনি তার সততা, নিষ্ঠাও আন্তরিকতার সহিত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনে ব্রতি হন। তার এই প্রচেষ্ঠাকে সফল করার জন্য মনপুরার সর্বস্তরের জ্ঞানী,গুনি, প্রজ্ঞাবান সমাজসেবক ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ তাকে সহযোগিতা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্নেই প্রফেসর মোঃ হানিফ (অব ) এর সহযোগিতায় দক্ষ শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। কলেজটিতে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা খোলা হয়। ১৯৯৬-৯৭ শিক্ষা বর্ষে নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্বোধনী ক্লাশের মধ্য দিয়ে কলেজের পাঠদান শুরু হয়। এরপর ২০০০-২০০১ শিক্ষাবর্ষে ডিগ্রি পাস কোর্সে প্রথম বর্ষ বিএ,বিএসএস ও বিকম শাখায় ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২৭/১১/২০০১ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধীন অত্র কলেজটি বিএ, বিএসএস ও বিকম অধিভূক্তি লাভ করে। সে থেকে অদ্যবধি অধ্যক্ষ জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের দক্ষ পরিচালনায় এবং শিক্ষক ও কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কলেজটি সুন্দর ও সুনামের সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে। অদ্যবধি কলেজের পরীক্ষার ফলাফল অত্যন্ত সন্তোষজনক। ১৯৯৭ খ্রি. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনপুরা সফর করেন। তার সফর সঙ্গী ছিলেন মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী জনাব আবদুস সালাম আজাদ, শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রীতোফায়েল আহমেদ, সংসদ সদস্য জনাব আমির হোসেন আমু, সংসদ সদস্য জনাব শেখ হেলাল প্রমূখ। জনসভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনসম্মুখে এই কলেজটির উন্নয়নের কথা ব্যক্ত করেন। কলেজটি উন্নয়নের জন্য কাজ করেন পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী জনাব আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (এমপি),এবং সাবেক এমপি জনাব নাজিম উদ্দিন আলম। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর আশ্বাসে অবহেলিত মনপুরার জনগণের মনে উচ্চ শিক্ষা লাভের আশা সঞ্চার হয়েছে। পরিশেষে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে মনপুরা বাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি।

অধ্যক্ষের বাণী

মানব সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে প্রকৃতির বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত শ্রম- অভিজ্ঞতা ও পরীক্ষা- নিরীক্ষালব্ধ যুগ সঞ্চিত জ্ঞানভান্ডারই শিক্ষা। মানুষের শ্রম কর্তৃক সৃষ্ট উৎপাদন, উৎপাদিকা শক্তি, জ্ঞান ভান্ডারের ফলাফল ভোগ করে আমরা সমাজে বেঁচে আছি। ফলে আমরা সমাজের প্রতি দ্বায়বদ্ধ। জ্ঞানানুশীলন করে মানুষ, জগৎ ও জীবনের নিয়ম অনুসন্ধান-ব্যাখ্যা, সত্য- সৌন্দর্যবোধের চর্চা এবং সামাজিক কর্তব্য পালন করে উন্নত সভ্য মানুষে উন্নীত হয়। যে কারণে শিক্ষা হলো ‘সর্বজনীন“। -এই লক্ষ্যে কলেজের জ্ঞানচর্চা ও সাংস্কৃতিক চেতনা বৃদ্ধির জন্য গ্রন্থাগারে আপনার “বই প্রদানে সহায়তা আমাদের উৎসাহিত করবে”।


 

নিজেকে খুঁজে বের করার সবচেয়ে ভাল উপায় হল অন্যদের সেবায় নিজেরাই হারাতে হয়



- Thomas Shultz

নিজেকে খুঁজে বের করার সবচেয়ে ভাল উপায় হল অন্যদের সেবায় নিজেরাই হারাতে হয়



- Thomas Shultz


Latest news and events

May 8, 2014

Vestibulum commodo volutpat laoreet

Quisque justo augue ut urna eu eros. Sed id elit tincidunt et, fermentum vel, wisi.
May 7, 2014

Quisque lorem tortor fringilla bulum

Class aptent taciti sociosqu ad litora torquent per conubia nostra, per conubia nostra.
May 6, 2014

Vivamus sit amet metus sem imperdiet

Bibendum tellus, fringilla ut, eleifend pede id nulla.